Buy Now

Search

সোহাগি সাঁঝমল্লার [পর্ব-১৭]

সোহাগি সাঁঝমল্লার [পর্ব-১৭]

ফুটপাত দিয়ে হেলেদুলে হাটতে হাটতে উপরে দুপাশে তাকালো সুজি। ওর একপাশে আস্তেআস্তে হাটতে হাটতে সাঁঝ দুহাতের ইশারায় অনবরত কথা বুঝিয়ে চলেছে। আরেকপাশে মাশফিক এলবো ক্রাচ হাতে খুঁড়িয়ে খুড়িয়ে হাটছে আর বোনের ইশারা বুঝে উত্তর দিচ্ছে। আজকে সুজি অনেকমখুশি। কেননা বহুদিন পর সাঁঝের সাথে ব্যাগ ছাড়া বেরিয়েছে ও। আগে বিকেলবেলা ওকে নিয়ে সাঁঝের বেরোনো একটা রুটিনই ছিল। কিন্তু সেটা আহি আসার পর বদলে গেছে। হাতেপায়ের ব্যথার জন্য এ কয়েকদিন মাশফিক তালুকদার নিবাস থেকে বেরোয়নি। ঘরে থাকতে থাকতে বিরক্ত হয়ে আজকে ওই সাঁঝকে বলছিল বেরোনোর জন্য। মাশফিক বাড়িপাগল। তাইবলে ঘরে থাকার ছেলে ও না। অফিসে নিয়মিত যাতায়াত করার চলন্ত জীবনে হুট করে স্থবিরতা মানাটা ওরজন্য কষ্টেরই। এজন্য সাঁঝও রাজি হয়ে গিয়েছিল ভাইয়ের সাথে বেরোনোর জন্য। কিছুটা সময় হাটতে হাটতে একজায়গায় এসে দাঁড়িয়ে গেল মাশফিক। ভাইকে থামতে দেখে সাঁঝও থামলো। মাশফিক প্যান্টের পকেট থেকে ফোন বের করতে করতে বলল,
– এখানটায় দাঁড়া তো সাঁঝ! একটা ছবি নেই তোর!
সাঁঝ পেছনে তাকালো। দেয়ালতোলা বাড়িটার ওপাশে বাসানবিলাসের গাছ। কিন্তু তার সমগ্র ডালাপালা রাস্তার এপাশে। হলুদাভ ফুলে ছেয়ে আছে গোটা দেয়াল। ভাইয়ের আহ্লাদ দেখে সাঁঝ নিশব্দে হাসলো। পা উচিয়ে ডাল ধরে গাছ থেকে একগোছা ফুল ছিড়লো ও। তারপর সেটা কানে গুঁজে, হাসিমুখে দাড়ালো ছবি তোলার উদ্দেশ্যে। সুজি বসেবসে ওদের দু ভাইবোনকে দেখছিল। দুটো ছবি তোলার পর সাঁঝ ওকে দুহাতে কাছে ডাকলো। সুজি গিয়ে কোলে উঠে গেল সাঁঝের। মাশফিক আরো কয়েকটা ছবি তুলল ওদের। বোনের হাসিমুখটা দেখতে দেখতে হঠাৎই ভাবুক হয়ে যাচ্ছিল ও। মনেমনে আরো একবার প্রার্থনা করলো, ওর তুলোর মতো নরম মনের এই বোনটার জীবনে যেন কোনো ভুল মানুষ না আসে। এমন কেউ যে আসে, যে ওর বোনকে ওদের চেয়েও আদরে রাখবে; ওর বোনের এই প্রাণভরা হাসিটা ধরে রাখতে পারবে।
– কেমন আছো?
বক্তার আগে বোনের প্রতিক্রিয়া আগে চোখে পরেছিল মাশফিকের। অকস্মাৎ সাঁঝের সুন্দর হাসিটা গায়েব হয়ে গেছে। এতোক্ষণ ছবি তোলার ভাবে থাকলেও আপাতত কিছুটা চকিত হয়ে সামনে তাকিয়ে আছে সে। বোনের প্রফুল্লতা নিমিষে মিলিয়ে যেতে দেখে মাশফিকের মনও বিষিয়ে ওঠে। আওয়াজধারীকে চেনে ও। এক্সিডেন্টের আগে এমন হলে মাশফিক কখনোই জোরপূর্বক নিজের প্রতিক্রিয়া ঠিক করতো না। কিন্তু এখন পরিস্থিতি ভিন্ন। নিজেকে স্বাভাবিক করে পেছনে ফিরলো মাশফিক। কালো শার্ট পরিহিত আশানুরূপ ব্যক্তিটিকে দেখে জোরালো সৌজন্যের সাথে বলল,
– যেমন দেখছো। তোমার কি খবর?
– বেশ ভালো।
সায়াহ্ন মাশফিকের থেকে দৃষ্টি সরিয়ে সাঁঝের দিকে তাকালো। অবশ্য সাঁঝের দিকে বললে ভুল হবে। সাঁঝের চোখের দিকে তাকিয়েছিল ও। সুজি সাঁঝের কোল থেকে নেমে নিচে পরে থাকা ফুল শুকছিল ও। দুদন্ড সময় নিয়ে সায়াহ্ন আজ আবারো আবিষ্কার করলো, এই মেয়েটার তাকানোর ভঙিমাই আলাদা। প্রতিবার ওকে দেখার সময় সাঁঝের মাথা কিঞ্চিৎ ঝুকানো থাকে। যারফলে ওকে দেখতে গেলে সাঁঝকে চোখ তুলে ওপরদিকে তাকাতে হয়। আর ও হয়তো ঠিক এখানেই আটক। সায়াহ্ন বলল,
– কিছু বলার ছিল।
– হ্যাঁ বলো?
জবাবটা মাশফিকের তরফ থেকে এসেছিল। সায়াহ্ন ওরদিক তাকালো। তারপর একদম পাশের বেঞ্চসদৃশ বসার জায়গাটা দেখিয়ে ওকে ইশারা করলো বসার জন্য। মাশফিক একপলক বোনের দিক তাকাতেই সাঁঝ নিচে বসে গেল আবারো সুজিকে কোলে তুলবে বলে। খুড়িয়ে খুড়িয়ে তিনপা দূরের বেঞ্চটায় বসে গেল মাশফিক। কিন্তু হাতের ক্রাচটা পাশে হেলান দিয়ে রাখতেই ওটা সায়াহ্ন হাতে নিয়ে নেয়। ভ্রুকুচকে ওকে দেখলো মাশফিক। এমন কাজের কারন ওর বুঝে আসলো না। ওদের দুজনকে কথা বলার সুযোগ করে দিতে সাঁঝ সুজিকে কোলে নিয়ে চলে আসছিল। কিন্তু বাহাতে মাশফিকের ক্রাচ ধরে রেখে সায়াহ্ন পেছন থেকে বলে উঠল,
– আমার তোমার সাথে কথা আছে সাঁঝ।
সাঁঝ চমকে পেছন ফেরে। অবুঝের মতো একবার দেখল বেঞ্চে বসা ভাইকে, তো আরেকবার সামনে দাঁড়ানো বেপরোয়া সায়াহ্ন হামিদকে। মাশফিকের কপালে ভাজ পরে গেছে ইতিমধ্যে। আর সেটুক স্বরেও প্রকাশ পেলো ওর। মাশফিক বলল,
– সাঁঝের সাথে কথা আছে মানে? ওর সাথে কি কথা তোমার?
– যা বলার তা তোমার সামনেই বলছি। দয়া করে পাঁচটা মিনিট চুপচাপ বসে থাকো। পাঁচ মিনিটের একটা সেকেন্ডও বেশি নেবো না তোমার বোনের। Promise!
মাশফিকের মেজাজের বারোটা বেজে যায়। কিন্তু তবুও নড়চড় না করে দাঁতে দাঁত চেপে শক্ত হয়ে বসে রইল ও। শুরুতে বাইক পোড়ানোর ঘটনা নিয়েই মোশাররফ তালুকদার সতর্ক করেছিলেন ওকে, পরবর্তীতে যেন ও সায়াহ্নর সাথে ঝামেলা না করে৷ এরপর এক্সিডেন্টের ঘটনা জানার পরও ছেলের অহেতুক জেদ নিয়ে যথেষ্ট রাগারাগি করেছিলেন তিনি। তাই এবার মাশফিক সংবরণ করলো নিজেকে৷ এবার সায়াহ্ন কি বলতে চায় তা শোনার পর যা করার করবে ও। মাশফিককে জবাব দিয়ে সায়াহ্ন পুনরায় সাঁঝের দিকে তাকালো। ওর চোখে চোখ রেখে বলল,
– তিনদিন আগে দিবা আমাকে একটা প্রশ্ন জিজ্ঞেস করেছিল সাঁঝ। আর আমি প্রথমবার ওকে জবাব দিতে পারিনি। জবাব ছিল না আমার কাছে।
সুজিকে কোলে করে সাঁঝ ভাইকে দেখছিল। মাশফিক মাথা নেড়েছিল বলে সায়াহ্নকে শুনতে আপত্তি ছিল না ওর। কিন্তু সায়াহ্নর কথা শুনে আপাতত ওর চোখে প্রশ্ন। আর সে প্রশ্নটা দিবা সায়াহ্নকে কি প্রশ্ন করেছে, এটা না। সায়াহ্ন কেন একথা ওকে বলছে, এটা। সায়াহ্ন বুঝেছিল ওর প্রতিক্রিয়া। খুববেশি সময় না নিয়ে ও বেশ শান্তশিষ্ট ভঙ্গিতে বলল,
– But now I think, I have the answer. আর যেহেতু সে প্রশ্নোত্তরে তুমি আছো, সেটা তোমাকেই আগে জানানো উচিত।
সাঁঝ আবারো অবাক হয়। ওর বুঝে আসে না, সায়াহ্ন হামিদ আর তার বোনের প্রশ্নোত্তরে ও কিকরে থাকতে পারে। যা কিছু ঘটেছে, তাদের কথোপকথনে তো বড়জোর অভ্র থাকতে পারে। সেখানে ওর নাম কেন? সায়াহ্ন মাথা নুইয়ে একদন্ড সময় নিলো। তারপর পুনরায় চোখ তুলে সাঁঝের দিক তাকিয়ে বলল,
– মানহা নামে একজনের সাথে আমার বহুদিনের ওঠাবসা ছিল সাঁঝ। আমার মতে আমাদের প্রেম ছিল। কিন্তু সে প্রেমে আমার মানহার সাথে যোগাযোগ না করলেও চলতো। দিনের পর দিন, সপ্তাহের পর সপ্তাহ, মাসের পর মাস। কেউ যদি আমাকে প্রশ্ন করতো, আমি মানহার থেকে দূর থাকতে পারব কিনা, আমি তখনতখন তাকে জবাব দিতাম, হ্যাঁ! পারব! নিসন্দেহে, আমি পারতামও সেটা!
কিন্তু এমনটা হয় নি। আমার দুনিয়া উল্টালো অন্যভাবে। কারন দিবার করা প্রশ্নটা মানহাকে নিয়ে ছিল না, তোমাকে নিয়ে ছিল। ও জিজ্ঞেস করেছিল, আমি তোমার থেকে দূরে থাকতে পারব কিনা।
চোখ বেরিয়ে আসার উপক্রম হয় সাঁঝের। দিবার প্রশ্ন ওর শ্বাস আটকে দিয়েছে। আর এর উত্তর যেহেতু সায়াহ্ন হামিদের কাছে আছে, তারমানে আজ এর উত্তরের মুখোমুখি হতে হবে ওকে। সুজিকে ধরে রাখা সাঁঝের দুহাত কাপছিল। ওর প্রসারিত চোখজোড়া ক্রমশ ভরে উঠছিল। মাশফিক শুনলো সবটাই, দেখছিলও সবটাই। এখনো অবদি ও ধৈর্য্য ধরে রাখলো নিজের। আর সায়াহ্ন আরো একবার টের পেলো, সামনেরজনের চোখের জল ওকে ছিন্নভিন্ন করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। ও দূর্বল হয়ে পরছে। তবুও সুস্পষ্ট স্বরে বলল,
– And you know what সাঁঝ? মানহার চেয়েও যে জবাবটা হওয়ার কথা আরো তাৎক্ষনিক, আরো সহজ, আমি সেই জবাবটাই দিবাকে দিতে পারিনি। হ্যাঁ বলতে পারিনি ওকে। এই সহজ প্রশ্নটার জবাব খুঁজতে আমার সময় লেগেছে তিনদিন! আর সবচেয়ে ভয়ংকর যেটা, এই দুই লক্ষ ঊনষাট হাজার দুইশোটা সেকেন্ড আমি তুমি ছাড়া দ্বিতীয় কিচ্ছুটি ভাবতে পারিনি!
এই এতোগুলো মুহুর্ত তোমাকে ছাড়া পার করার পর আমি ব্যস একটা জবাবই পেয়েছি সাঁঝ, আমি তোমার থেকে দূর থাকতে পারব, কিন্তু তোমার ভাবনা থেকে দূর থাকা আমার পক্ষে সম্ভব না। তোমার শব্দহীন হাসি, চুড়ির আওয়াজ, কথা বলতে জানা এই ভাসাভাসা চোখ, এগুলো. . . এগুলোতে আমি অভ্যস্ত হয়ে গেছি। আমার নিশ্বাসে মিশে গেছে এরা। আমি আর এসবের থেকে দূরে থাকতে পারব না। সম্ভব না আমার পক্ষে।
শুনতে হয়তো ফিল্মি শোনাচ্ছে, তবুও আমার বলতে কোনো দ্বিধা নেই, প্রথমবারের মতো ফেইস করা এই অপারগতার নাম আমি জানি না। যদি এটা হয় অসুখ, তবে আমার অসুখের নাম তুমি। আর যদি এর নাম হয় ভালোবাসা, তাহলে. . .
একটু থামল সায়াহ্ন। মাশফিকের ক্রাচটা বেঞ্চে হেলান দিয়ে রেখে একপা সাঁঝের দিকে এগোলো। কোনোকিছুর পরোয়া না করে, সাঁঝের বা কানে গোঁজা হলুদাভ বাগানবিলাসের গোছাটা হাতে নিলো ও। তারপর সেটা সাঁঝের সামনে ধরে সোজাশব্দে বলল,
– তাহলে আমি তোমাকে ভালোবাসি সাঁঝ। তোমাকে আমি সবকিছুর উর্ধ্বে ভালোবাসি!
বলা শেষ হবার সাথেসাথে নিজের আর সাঁঝের মাঝখানটায় মাশফিককে আবিষ্কার করলো সায়াহ্ন। তার শক্ত চোয়াল, ক্ষিপ্ত চোখমুখ আর গাঢ় শ্বাসপ্রশ্বাস দেখে ওর বুঝতে সমস্যা হলো না যে, মাশফিক তালুকদার রেগে আছে। মাশফিক রেগেই ছিল। বাহাতে ক্রাচে ভর করে, ডানহাতে খপ করে সায়াহ্নর কলার চেপে ধরল ও। এই প্রথম সায়াহ্ন নিজের কলারের পরোয়া করলো না। নিরবে। ফুল ধরে রাখা হাতটা নামালো ও। তারপর চোখ নামিয়ে একবার নিজের কলার দেখল, আরেকবার চোখ তুলে দেখল মাশফিককে। মাশফিক মুখ খুলল। দাঁতে দাঁত চেপে তীব্র ক্রোধমিশ্রিত কন্ঠে বলল,
– How dare you?
– আমার ডেয়ারের নতুনকরে আর কি প্রমাণ দেবো তোমাকে? চাইলে আমি অন্যকোথাও, অন্যভাবেও সাঁঝকে এ কথাগুলো বলতে পারতাম। তবুও এখানে, এভাবে, তোমার সামনেই সবটা বলেছি ওকে। কারণ আমার কাছে আমার বলাটা ম্যাটার করে। তোমার উপস্থিতি অনুপস্থিতি না।
– তারমানে এজন্যই তুমি বারবার আমাদের সাথে ইনভল্ব হচ্ছিলে? এই এলাকায় আসার পর থেকে এজন্যই তুমি বারবার সাঁঝকে. . .এই ছিল তোমার মনে?
– ছিল হয়তো। কিন্তু বিশ্বাস করো, টের পাইনি। টের পেলে এতোদিন সময় নিতাম না।
সায়াহ্নর ভাবান্তর নেই। মাশফিকের রাগকে পুরোপুরিভাবে উপেক্ষা করে ও ওর কাধের পেছনে তাকালো। সেখানে ব্যস সাঁঝের চোখজোড়াই দেখা যাচ্ছিল। মাশফিকের তীব্র রাগী চেহারাটা না পারলেও সাঁঝের জল ছলছল চোখজোড়া ওকে দমিয়ে দিলো যেন। সায়াহ্নর তখন খুবকরে বলতে ইচ্ছে করছিল, ‘ কেঁদো না প্লিজ! তোমার অশ্রুভরা চোখ আমায় ঝলসে দেয়।’ কিন্তু ওর মনে হচ্ছিল একথা বললে সাঁঝ তৎক্ষনাৎ কেঁদে ফেলবে। তাই আর কথাটা বলা হলো না সায়াহ্নর। নিজেকে সামলে, বা হাতেই মাশফিকের মুঠো থেকে কলারটা ছাড়িয়ে নিলো ও। ডানহাতের বাগানবিলাসটা শার্টের বুকপকেটে রাখতে রাখতে বলল,
– আমি ব্যস তোমাকে আমার দিকটা বলতে এসেছিলাম সাঁঝ। তোমাকে এখনই জবাব দিতে হবে, এমন না। সময় নিয়ে হ্যাঁ বলো। আরযদি নেগেটিভ কিছু বলার হয়, তাহলে তার কারণ সিলেক্ট করে রাখো। ততদিনে আমিও তোমার অভিযোগের ভাষা শিখে ফেলি। ভালো যখন বেসেছিই, তোমাকে কোনো অভিযোগের সুযোগ আমি দেবো না। I promise!
কথা শেষ করে আর একদন্ড দাঁড়ালো না সায়াহ্ন। চলে গেল ওখান থেকে। ও উল্টোদিক হতেই টুপ করে জল গরিয়ে পরলো সাঁঝের একচোখ থেকে। শরীরের কম্পন এতো বেশি ছিল যে কোনোমতে নিচু হয়ে সুজিকে নামিয়ে দিলো ও। ভেজা গালে ডলা মেরে সাঁঝ সোজা হয়ে দাড়াচ্ছিল। মাশফিক তখনই পেছন ফেরে। বোনকে গাল মুছতে দেখেছে ও। আর এখন দেখছে তার লালচে চোখজোড়া। মাশফিকের হাত মুঠো হয়ে আসে। আজ আবারো ওর বোনের চোখে জল। আজ আবারো ওর বোন কেঁদেছে। আর আজ আবারো ওর কান্নার কারণ, সায়াহ্ন হামিদ!
চলবে...

Olindo Rahman

Olindo Rahman

A good book is worth a hundred good friends. 
But a good friend is equal to a library.!! 

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Your experience on this site will be improved by allowing cookies Cookie Policy