শান্তিকুঞ্জের সম্মুখের দিকটায় ডেকোরেশনের লোকেদের প্রচণ্ড ভীড়, সেই সাথে বাড়ির কর্তাদের ঘেমে-নেয়ে সবকিছুর দেখভাল। অনুজ্জ্বল রোদ, বাতাসটাও তীব্র বলে কিছুটা শান্তি লাগছে। মেহমানদের আসা শুরু হয়েছে তুমুলভাবে। বাড়ির গিন্নিরা তাদের আপ্যায়নে ব্যস্ত। এক খণ্ড বসার সুযোগটা নেই কারোর।
এর মধ্যে জয়ার শরীর খারাপ করায় তাকে নিয়ে ব্যস্ত আছেন তার শাশুড়ি আশরিফা। এ বাড়িতে বউদের মেয়ের মতোই আদরে রাখা হয়।
মনোহরার ভাষ্যমতে, ‘সবাই বলে মেয়েদের নিজের কোনো ঘর নেই। প্রথমে বাবার ঘর, তারপর স্বামীর ঘর, শেষে সন্তানের ঘর। প্রথমে বাবার ইচ্ছেকে প্রাধান্য দেওয়া লাগে, এরপর স্বামী, শেষে সন্তান। এভাবেই একটা মেয়ের জীবন শেষ হয়। তবে সেই মেয়ের নিজের বলতে রইল কী? সে নিজেকে বুঝবে কখন? নিজের ইচ্ছেকে প্রাধান্য দেবে কখন? আমার বাড়িতে মেয়েদের জন্য আলাদাই নিয়ম থাকবে। এই বাড়িতে ছেলেদের যতটা অধিকার, তার চেয়ে কিঞ্চিৎ পরিমাণ বেশি আমি আমার মেয়েদের দেবো। মেয়েরা তো মায়ের জাত; আমার যেই ছেলের মনে মেয়েদের প্রতি বিন্দুমাত্র অসম্মান জন্মাবে, আমার সেই ছেলেকে আমি তৎক্ষনাৎ ত্যাজ্য করব। কঠিন শোনাচ্ছে? মেয়েদের সম্মান তারও অধিক কঠিন ও দামী কিছু। আমি আপোষে আসব না কখনও। আমি চাই না, এক্ষেত্রে আমার মেয়েরাও কখনও আপোষে আসুক।’
সেই কথা বাড়ির প্রতিটি সদস্য মনে রেখেছে। মনোহরার কথাগুলোর মাঝে তিনি একবারও ছেলের বউ উচ্চারণ করেননি, তিনি প্রতিবারই বলে গেছেন ‘আমার মেয়েরা’। এখানে গিয়ে আবেগি হয়ে ওঠে বাড়ির সকল মেয়ে-বউরা। তাই তারাও তা মেনে চলেন। নিজেদের বউদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম মেনে এসেছেন।
আশরিফা জয়ার চুলের গোড়ায় সামান্য পরিমাণ তেল দিয়ে বললেন,
-“মাথা যন্ত্রণা করতেছে, আম্মু?”
জয়ার প্রচণ্ড মাথা যন্ত্রণা করছে, তবুও চেপে গেল,
-“সমস্যা নেই, আম্মু। একটু ঘুমালেই ভালো লাগবে। তুমি যাও। বাড়িতে অনেক মেহমান আসছে। ওদিকে তোমার প্রয়োজন।”
আশরিফা খাটের ওপর উঠে বসে বললেন,
-“কোলে মাথ রাখ তো। আয়, চুলে বিলি কেটে দিই, ভালো লাগবে।”
ছলছল চোখে জয়া শাশুড়ির কোলে মাথা রেখে বলল,
-“শুধু শুধু আম্মু..”
-“মার খাবি? চুপ থাক। ওদিকে ভাবিরা আছেন, দেখে নেবেনি।”
জয়া দুইহাতে আশরিফার কোমর জড়িয়ে ধরে পেটে মুখ গুঁজল। আশরিফা হেসে উঠলেন,
-“পাগল মেয়ে!”
গোধুলির এই মিষ্টি ঝাঁজালো রোদের শাসানি অমান্য করে বাড়ির পশ্চিমের বাগানের দিকটায় খোলা আকাশের নিচে গোল হয়ে বসে আছে একদল ছেলে-মেয়ে। রিধিমা গিয়ে মাঝের বোতলটা ঘুরিয়ে দিলো। সবার দৃষ্টির মধ্যমণি এখন এই বোতলটা। প্রচণ্ড তেজে ঘুরতে ঘুরতে অবশেষে তার ঘুর্ণন গতি কমতে লাগল। সবার গভীর মনোযোগে বোতলের মুখের দিক চেয়ে আছে। সেটা অবশেষে থামার প্রস্তুতি নিল। আর থেমে গেল। বোতলের মুখের দিকে লক্ষ করে সবাই ওপাশের মানুষটার দিকে একত্রে তাকাল।
নিশান হেহে করে হেসে উঠল। কর্লার গুছিয়ে নিয়ে বলল,
-“বোতলও মানুষ চেনে। স্পেশ্যাল কে, তা জানে।”
কেউ যেন শুনলই না তা। রিধিমা জিজ্ঞেস করল,
-“এই নিশ্যাইন্যা! কী নিবি? ট্রুথ নাকি ডেয়ার?”
নিশান ভাব নিয়ে বলল,
-“অভ্যিয়াসলি, আ'ম অ্যা ডেয়ারিং পার্সন!”
ডেয়ার দিলো উলটো দিকে বসে থাকা নিধি,
-“বড়ো আব্বুকে কল দে। কল দিয়ে বল তুই রিলেশনে আছোস ছয় বছর ধরে। আর তোর গার্লফ্রেন্ড এবার ক্লাস ফাইভে, সিক্সে উঠলেই তুই বিয়ে করতে চাস। পারমিশন নে।”
কেশে উঠল নিশান। একত্রে সবার হাসি তখন আকাশ কাঁপিয়ে তুলল। নিশান অবশ্যই একজন সাহসী ছেলে। সে ফট করে কল লাগাল তার বাবাকে। রিং হতে লাগল। তৃতীয় রিংয়ে কল রিসিভ হলো।
ওপাশ থেকে সানোয়ার সাহেব বললেন,
-“হ্যাঁ বলো।”
-“বাবা, কী করেন?”
-“ফ্রন্ট ইয়ার্ডে আছি, তুমি? কিছু বলবা? বলো জলদি। কাজ করছি।”
নিশান গলা ঝেড়ে নিল,
-“বাবা, আসলে খুব ইম্পর্ট্যান্ট একটা কথা ছিল।”
-“হ্যাঁ, শুনছি। বলো।”
-“আসলে, বাবা..”
-“কী?”
-“আমি একটা মেয়েকে পছন্দ করি।”
-“কী? মজা নিচ্ছ, নিশান?”
-“না, বাবা। আ'ম সিরিয়াস।”
-“তোমার ওসবের বয়স হয়নি এখনও। মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলো।”
-“বাবা, বয়স আরও ছয় বছর আগেই হয়েছে।”
-“মানে?”
-“সম্পর্কে আছি ছয় বছর ধরে।”
ওপাশ থেকে কিছুক্ষণ কোনো সাড়া শব্দ পাওয়া গেল না। নিশান ডাকে,
-“বাবা!”
-“ছয় বছর আগে তোর বয়স কত ছিল?”
নিশান হিসেব করে জানায়,
-“বাবা, ১৭।”
-“কোন ক্লাসে ছিলি?”
-“মেট্রিক পাশ।”
-“দাড়ি গজিয়েছিল?”
-“না..”
-“আর তুই সেই বয়সে প্রেম করছোস? আবার আমারে বলতেছোস? জুতা খাস না কতদিন?”
-“বাবা, ওমন করেন কেন?”
-“তোরে জুতাব ব্যাটা, সামনে আসিস খালি।”
নিশান এবার বোম ফাটাল,
-“বাবা, আমি বিয়ে করতে চাই ওকে। ও বলেছে, কদিন পর ক্লাস সিক্সে উঠবে। এর মধ্যে বিয়ে যদি না করি ও হারপিক খেয়ে সুইসাইড করবে। বাবা, আমার নিব্বি মরলে ওর নিব্বাও মরে যাবে। আপনি কি চান আপনার ছোটগ্যাদা এভাবে মরে গিয়ে ইতিহাস গড়ুক? যদি না চান তবে আমাদের প্রথম অপশন ‘হ্যাঁ আমি বিয়াত্তে কবুল’-এ নির্দ্বিধায় ক্লিক করেন। আব্বা, আপনে রাজি?”
সানোয়ার সাহেব খেঁকিয়ে উঠলেন,
-“মশকরা হচ্ছে, হারামজাদা?”
-“হয়, এট্টু। রাইগেন না, বাবা। লাভ ইউ।”
নিশান কল কেটে দিলো। আটকে রাখা হাসিতে চারপাশ মুখরিত হয়ে উঠল। বোতল আবারও ঘোরানো হলো। এবার গিয়ে থামল নীহিনের দিকে। নীহিন ট্রুথ নিল। রূপা বলল,
-“বাচ্চা-কাচ্চা মানুষ! তোকে আর কী জিজ্ঞেস করি?”
প্রিয় সরু চোখে নীহিনের লাজুক মুখপানে তাকিয়ে থেকে বলে,
-“শেষ মিথ্যে কখন বলেছ? আর কী বলেছ?”
নীহিন এদিক-ওদিক তাকাল। মিনমিনে স্বরে বলল,
-“আমি মিথ্যা বলি না।”
আর তারপরই বলে উঠল,
-“এটাই শেষ মিথ্যে, আর এখন তোমাকে বললাম।”
রিধিমা শুধায়,
-“এর আগে?”
-“একবারই প্রশ্ন করা যায়, রিধিমাদি।”
হাসল নীহিন। রিধিমা আফসোসের ভঙ্গিমায় মাথা নাড়ে। প্রিয় সেভাবেই তাকিয়ে থাকে। নীহিন সেই মিথ্যের প্রকাশ ঘটাতে চায়নি বলেই এমন কাজ করল, ব্যাপারটা হতে সে অবগত।
আবার বোতল ঘোরানো হলো। এবার বোতলটি শরতের দিকে এসে থামল। রিধিমা বলল,
-“দাদাভাই, কী নেবে বলো?”
শরৎ বলল,
-“ট্রুথ।”
হইহই শুরু হলো কে জিজ্ঞেস করবে তা নিয়ে। সবাই আপনমনে বিভিন্ন প্রশ্ন নির্ধারিত করে ফেলেছে ইতোমধ্যে। সবাইকে ছাপিয়ে প্রশ্নটা প্রিয় করেই ফেলল,
-“গার্লফ্রেন্ড আছে?”
হুট করেই সব স্তব্ধ হয়ে গেল। কেউ কোনো রা করছে না। গাছ থেকে শুকনো পাতা ঝরে পড়ে, মাটির ওপর পড়ে থাকা পাতাদের সাথে লেগেও শব্দ করছে। সেই শব্দও যেন স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে। গোলকের অভ্যন্তরে বসে থাকা সবার দৃষ্টি শরতে নিবদ্ধ। তারা জানে শরৎ নেতিবাচক জবাবই দেবে। তবুও ধৈর্যে কুলোচ্ছে না। অপেক্ষারাও জ্বালাচ্ছে।
শরৎ সেসব দেখে হাসে, দু-দিকে মাথা নেড়ে বলে,
-“আছে।”
বিস্ফোরণ হলো বোধহয়! কেউ বিশ্বাস করতে পারছে না। শরতের গার্লফ্রেন্ড আছে? এই বয়সে থাকাটা স্বাভাবিকই বটে, তবুও কেন যেন কেউই মেনে নিতে পারছে না। কেউ কখনই শরৎকে ফোনে কারো সাথে ঢের সময় অবধি কথা বলতে দেখেনি, কোনো মেয়ে বিষয়ক কারণে শরৎকে জড়াতে দেখেনি। ওরা অনেক খোঁজ নিয়েছে শরতের ব্যাপারে, তবুও কোনো সন্দেহজনক কিছু পায়নি। এখন কীভাবে কী?
এর মধ্যে শরৎ এগিয়ে এসে বোতল ঘোরাল। বোতলটা প্রহরের দিকে মুখ করে থামলে সবাই সেদিকে খেয়াল দেয়, অথচ মন পড়ে আছে শরতের খানিকক্ষণ আগের কনফেশনেই।
প্রহর ডেয়ার নিল। ওকে বলা হলো গান গাইতে। নীহিন শরতের রুম থেকে ওর গিটারটা এনে দিলো। প্রহর সুর তুলল..
আমি যে মাতাল হাওয়ারই মত হয়ে
যেতে যেতে পায়ে পায়ে গেছি জড়িয়ে
আমি যে মাতাল হাওয়ারই মতো হয়ে
যেতে যেতে পায়ে পায়ে গেছি জড়িয়ে
কী করি ভেবে যে মরি বলবে কী লোকে
মন্দ করেছে আমাকে ঐ দু'টি চোখে
কী নামে ডেকে বলব তোমাকে
মন্দ করেছে আমাকে ঐ দু'টি চোখে..
নীহিনের মনের মাঝে ভালো লাগার ফুলের কুড়ি জন্মাল। তার কিশোর-হৃদয়ে কিছু একটা হলো, অদ্ভুত কিছু একটা হলো। সর্বনাশা দৃষ্টিতে সে তাকিয়ে রইল ওদিকটায়।
বোতল ঘোরানো হলো আবার। রিধিমার দিকে ঘুরল। ও ডেয়ার নিল। ওকে আরহা বলল,
-“দিভাই, তুমি জিজুকে কল দাও। কল দিয়ে বলো, তুমি পালিয়ে বিয়ে করতে চাও। বিয়ের আগের দিন রাতে হলুদ শেষে সবাই যখন ঘুমোতে যাবে, সেই ফাঁকে দুইজন পালাবে।”
রিধিমা বলল,
-“পাগল? ও যা সিরিয়াস! ফোনেই বকে-ঝকে শেষ করে দেবে!”
তবুও শেষমেষ রিধিমা তাশিনকে কল দিলো। তাশিন কাজিনদের মাঝে বসে তাদের বিভিন্ন প্ল্যানিংস শুনছিল। হঠাৎ কল আসায় সে সম্মুখে উপস্থিত সবাইকে বলল,
-“এক সেকেন্ড!”
এই ফাঁকে তার ছোট ভাই কলার আইডি দেখে নিল। তাশিন আস্তে-ধীরে ওখান বারান্দার দিকে থেকে কেটে পড়ল। এর মাঝে সকলের পিঞ্চ করে হাসি-তামাশা শুনতে ভুলল না। মুচকি হাসল সে। বারান্দায় ঠেস দিয়ে দাঁড়িয়ে কানে ফোন ঠেকাল। ঠোঁটের কোণে হাসি রেখে বলল,
-“মিসড্ মি, ম্যাডাম?”
রিধিমা অপ্রস্তুত হলো। শুভ্র গালে ধরা দিলো লালচে আভা। ফোনটা স্পিকারে ছিল। এদিকে সবাই ঠোঁট চেপে হেসে যাচ্ছে। রিধিমা নিজেকে স্বাভাবিক করতে চাইল,
-“বয়েই গেছে আপনাকে মিস করতে।”
ওপাশের ভদ্রলোক আরও হাসল,
-“তাই না?”
-“হ্যাঁ তাই!”
-“তবে তো ভীষণ ভুল করলে। তোমার উচিত ছিল আমাকে মিস করা। প্রতিটি আলাদা আলাদা মুহূর্তে তোমার উচিত আমাকে ভিন্নভাবে অনুভব করা। তুমি করলে না কেন? তবে কি আমার ভালোবাসা তোমাকে টানছে না? উম..ঠু ব্যাড!”
রিধিমা মরেই যাবে এবার। কী শুরু করল লোকটা? এদিকে বলতেও পারছে না পাশে ভাই-বোনেরা বসে আছে। ইশ!
রিধিমা প্রসঙ্গ এড়িয়ে গেল,
-“আমার একটা শখ আছে।”
-“আপনার সব শখ পূরণের দায়িত্ব আমার তো। বলুন, শুনি।”
-“বলছিলাম..”
-“হু, বলছিলেন?”
-“চলুন পালিয়ে যাই।”
-“কী? আব্.. ওকে...”
বিস্মিত কণ্ঠের ইতিবাচকতার সাথে তাশিনের আওয়াজে সামান্য হাসিটাও মিশ্রিত। রাগের বদলে লোকটা হাসছে? বুঝে এলো না রিধিমার। তাশিন তখন বলল,
-“পালিয়ে বিয়ে করার ইচ্ছেটা মাসখানেক আগ অবধি আমারও ছিল। সেই টিনেজ থেকে বিভিন্ন প্ল্যান করে এসেছি। আপনার সাথে প্রেম করার পর মনে হলো, ফাইনালি আমার প্ল্যান সাক্সেসফুল হবে। ইনফ্যাক্ট আপনার বাড়িতে যেদিন প্রোপোজাল পাঠালাম, সেদিনও আমার রুমে বসে বসে প্ল্যান কষেছি পরদিন কীভাবে পালানো যায়। আপনি না আসতে চাইলে কী করব? কিছু গুণ্ডা ভাড়া করব, এরপর কিডন্যাপ করব। তারপর বিয়ে, বাসর, বছরের মধ্যে এক বাচ্চা, দ্বিতীয় বছরে দ্বিতীয় বাচ্চা, তৃতীয় বছরে তিন নাম্বারটা... এভাবে চলতে চলতে পার্সোনাল ক্রিকেট টিম নিয়ে আপনার বাপের বাড়িতে গিয়ে তাদের মানাব। আমার এত এত প্ল্যান সব আপনার বাড়ির লোকদের অসামান্য আন্তরিকতার জন্য ক্যান্সেল হলো। দুদিন সিগারেটও খেতে পারিনি দুঃখে, জানেন? চলেন পালাই।”
এপাশে সবার হাসি থেমেছে। তব্দা খেয়ে বসে আছে একেকজন। তাদের ভোলাভালা দুলাভাই তলে তলে এই রকমের শয়তান বেরোল? সবাই পারে না কেঁদে দেয়। রিধিমা ত্বরিতে কল কেটে দিয়ে সবার দিকে তাকায়। সবার কিংকর্তব্যবিমূঢ় চকচকা মুখগুলো দেখে রিধিমা হে হে করে হেসে বলে,
-“বি ইজি, মেবি কাজিনরা মিলে ওর গ্লাস এক্সচেঞ্জ করে শরবতের বদলে স্বর্গীয় কিছু দিয়ে গেছে। আর নাহলে এত মানুষের গ্যাঞ্জামে জামাই আমার পাগলাইয়া গেছে।”
সব স্বাভাবিক হলো আস্তে-ধীরে। এরপর আবার বোতল ঘোরানো হলো। এবার থামল প্রিয়র দিকে। প্রিয় নরম গলায় বলল,
-“ডেয়ার।”
সবাইকে চুপ করিয়ে দিয়ে প্রিয়র ডেয়ারটা দিলো শরৎ। ইশ! প্রিয়র মুখটা দেখার মতো হয়ে গেল...
চলবে...
Leave a comment
Your email address will not be published. Required fields are marked *